بسم الله الرحمن الرحيم

মদীনাবাসীর মাযহাবে

আহলান সাহলান মারহাবান

ইমামু দারিল হিজরাহ (হিজরতের স্থান মদীনা), ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রঃ), আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতে বর্তমানে থাকা ফিক্বহী মাযহাব চতুষ্টয়ের অন্যতম “মালিকি মাযহাব” এর প্রতিষ্ঠাতা ইমাম। তিনি একাধারে কুরআন, সুন্নাহ ও ফিক্বহের ইমাম। বাংলা ভাষায় তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী পড়তে- 

আমাদের সম্পর্কে

আসসালামু আলাইকুম। আমরা কয়েকজন ইলম পিপাসু বাংলাদেশী বাঙালি তরুণ ২০২০ সালে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ‘মালিকি মাযহাব বাংলাদেশ’ নিয়ে যাত্রা শুরু করি। বিশ্বে ইসলামি খিলাফতের ১৪০০ বছরের পরও আমাদের উপমহাদেশে মালিকি মাজহাব তথা মদিনার আমল দুর্ভাগ্যবশত বিস্তার লাভ করতে পারেনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে, আমরা এই মাযহাবকে সর্বপ্রথম বাংলার মুল্লুকে আনার নিমিত্তে সর্বসাধারণের জন্য তা বাংলায় চর্চার চেষ্টা করছি। রসুল (সাঃ) এর রেখে যাওয়া সবচেয়ে কাছের এই আমল বাংলার মাটিতে প্রচার ও প্রসারের জন্য, রসুল (সাঃ) এর ভালবাসার খাতিরে মতপার্থক্য ব্যাতিরেকে সকলের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা অর্জনই আমাদের আশা।

মালিকি মাযহাব প্রচার ও এ বিষয়ক যে কোন পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে আছেন উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ শাইখ সিদি মুহাম্মাদ ইকবাল আল মালিকি এবং যুক্ত আছেন নিরলস বাংলাদেশী ত্বলিবুল ইলমরা। আপনাদের যে কোন প্রশ্নের উত্তরের সাহায্যার্থে আমরা গ্লোবাল মালিকি শাইখদের ইংরেজি গ্রুপেও যুক্ত আছি। আলহামদুলিল্লাহ, একটি প্রতিষ্ঠিত মাযহাবের বাংলাদেশী গ্রুপ হিসেবে একমাত্র আমাদেরই আন্তর্জাতিকভাবে যুক্ত ও পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। যেটা আমাদের দেশের ইসলামি সমাজের জন্যও একটি বড় অর্জন। সিদি ইকবালের বাংলাদেশী ছাত্রদের সম্পর্কে জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন। 

সিদি মুহাম্মাদ ইকবাল

আমাদের প্রিয় উস্তাদ সিদি মুহাম্মাদ ইকবাল হাফিযাহুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেছিলেন পাকিস্তানের পাঞ্জাবে। সেখান থেকে ১৯৭১ সালে নিজের পিতা মাতার সাথে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। মালিকি ফিক্বহে দীক্ষা নিয়েছেন মরক্কোর বুনিয়াদী ধারায়। 
১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি আরবি, ওয়ারশ কিরা’আত, প্রাথমিক ফিকাহ অর্থাৎ, কাযি ইয়াদ এর কওয়াইদুল ইসলাম শিক্ষালাভ করেছেন সিদি ‘আব্বাস আল-ওয়াহবি থেকে। সিদি ‘আব্বাস আল-ওয়াহবি বর্তমানে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় বসবাস করছেন।
সিদি ‘আব্বাসের হাত ধরেই সিদি ইকবাল তার তাসাওউফ শিক্ষক সিদি মুহাম্মাদ হামযা আল-কাদেরি আল-বুদশিশি (কাদেরিয়া তরিকা নয়) এর সাথে পরিচিত হন। তিনি ২০১৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন (আল্লহ যেন তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন, আমিন)।
তবে, তাদের মাধ্যমেই মূলত সিদি ইকবাল ডঃ তাহা ‘আব্দুর রহমান এর সাথে পরিচিত হন এবং তার থেকে ফালসাফা (দর্শনবিদ্যা) শিক্ষালাভ করেন ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত। ডঃ তাহা বর্তমানে মরক্কোর রাবাতে বসবাস করছেন।
এরপর তিনি ডঃ ইয়াসিন দাত্তন (তার লিখা “আমল বনাম হাদিস” শীর্ষক প্রবন্ধ আমরা অনুবাদ করেছি) এর অধীনে অধ্যয়ন করেন।
অতঃপর ধারাবাহিকভাবে, ২০০৩ সালে তিনি শাইখ আহমাদ বিন দারউইশ এর মাধ্যমে আবদুল্লাহ বিন সিদ্দিক এবং ইমাম শাওকানির ইসহাফ আল-আকবর রেওয়াতের ইজাযাপ্রাপ্ত হন।
একইসাথে, সিদি আবদুল্লাহ আল-তালিদি থেকে মুসনাদে আহমাদ এবং ইবন আবি জুমরা এর মুখতাসার সাহিহ আল-বুখারি রেওয়াতের ইজাযাপ্রাপ্ত হন।
আল-শারিফা নাফিসাহ বিনত আল্লামা মুহাম্মাদ আল-যামযামি মুহাম্মাদ ইবন জা’ফার আল-কেত্তানি থেকে ইজাযা অর্জন করেন ২০০৫ সালে।
আল্লামা শাইখ আল-ফাকিহ মুহাম্মাদ আল-দারউইশ আল-খাতিব তাকে ২০০৫ সালে রেওয়াতের ইজাযা প্রদান করেন।
২০০৯ সালে তিনি শাইখ কামাল আল-দ্বীন থেকে রেওয়াতের ইজাযাপ্রাপ্ত হন।
শাইখ ইউসাফ মাহমুদ ‘উমার ‘আতাম থেকে তিনি ২০০৯ সালে বর্ণনার ইজাযা পান।
যেসকল সম্মানিত শুয়ুখ থেকে সিদি মুহাম্মাদ ইকবাল আল-মুয়াত্তা বর্ণনার ইজাযা পেয়েছেন, তারা হলেন:
– শাইখ আল্লামা আল-মুসনাদ আহমাদ ‘আলি সুরাতি
– শাইখ নিযাম ইয়া’কুবি
– শাইখ আকরাম নাদউই
– শাইখ মুহাম্মাদ ইয়াহিয়া আল-নিনোউই
– শাইখ ‘আদিল আল শা’ফি
– শাইখ খালিদ বিন মুহাম্মাদ আল-মুখতার আল-শাবা’আই আল-হাসানি
– শাইখ ‘আলি আহমাদ আল-হাফনাউই
শাইখ ‘আদিল আল শা’ফি থেকে দালাইল খায়রাত রেওয়াতের অনুমতিপ্রাপ্ত হন ২০১০ সালে।
শাইখ ‘আবদুল রাহমান আল-কেত্তানি থেকে রেওয়াতের অনুমতিপ্রাপ্ত হন ২০১০ সালে।
নিউম্যান ইউনিভার্সিটি বারমিংহাম থেকে ২০১৫ সালে ডঃ সিদ্দিকি এর অধীনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

আমাদের সাথে যোগাযোগ

Dhaka

ইফতার: Loading...

সেহরীর শেষ সময়: Loading...